সংবাদ সম্মেলনে কোহিনূর, লালন ব্যান্ডের সুমী ও অন্যান্য অতিথি
নাড়ির টানে ৪০ বছর পর মাতৃভূমি বাংলাদেশে এসেছেন সংগীতশিল্পী কোহিনূর। জন্ম বাংলাদেশে হলেও মুক্তিযুদ্ধের পর নরওয়ের একটি পরিবার কোহিনূরকে দত্তক গ্রহণ করে। কোহিনুর বাংলাদেশে এসেছেন দেশের বিভিন্ন স্থানে সংগীত পরিবেশন করতে।
আজ শনিবার ঢাকার কাপা কফি ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকেরা জানান, পুরো ডিসেম্বর মাস কোহিনূর বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সংগীত পরিবেশন করবেন। এর মধ্যে কয়েকটি অনুষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে একত্রে গান করবেন বাংলাদেশি ফোক ফিউশন ব্যান্ড লালন।
সংবাদ সম্মেলনে কোহিনূর, ব্যান্ডদল লালন, রিক্সকনসার্টিনের ইন্টারন্যাশনাল প্রজেক্টসের প্রধান সুলভে কোরুম মাঙ্গা, লাইভ স্কয়ার কনসার্টসের পক্ষ থেকে সিইও নাফিস আহমেদ ও পরিচালক তৌহিদুর রহমান, জান্নাত বাঁধন, অভিজিত্ আসাদ খন্দকার ও আতেফ আহমেদ বিন জাফর উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৪০ বছর পর এই শিল্পী তাঁর মাতৃভূমিতে ফিরে এসেছেন একজন আন্তর্জাতিক তারকা হিসেবে। কোহিনূর ঢাকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুলে একাধিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। এ ছাড়া তিনি রোটারি ক্লাবের জন্য একটি দাতব্য অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পাশাপাশি ব্যান্ড লালনের সঙ্গে ‘কোহিনূর মিটস লালন’ শীর্ষক একটি কনসার্টেও অংশ নেবেন।
জানা গেছে, ঢাকার বাইরে কক্সবাজারেও একটি কনসার্টে অংশ নেবেন কোহিনূর। এ ছাড়া আগারগাঁওয়ে সরকারি সংগীত কলেজে একটি কর্মশালা পরিচালনা করবেন এবং স্থানীয় সংগীতশিল্পী ও পরিচালকদের সঙ্গে সাক্ষাত্ করবেন। বাংলাদেশে অবস্থানকালে ব্যান্ড লালনের সঙ্গে একটি গান রেকর্ডিংয়ের কাজ করবেন কোহিনূর।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, কোহিনূর মাদার তেরেসা অনাথ আশ্রমে যাবেন, যেখান থেকে তাঁকে দত্তক নেওয়া হয়েছিল। এর পাশাপাশি তিনি ঢাকার বটমলি হোম অনাথ আশ্রমে যাবেন তাঁর পোষ্য সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটাতে।
নাফিস আহমেদ বলেন, ‘আমাদের দেশের একজন এ রকম বিখ্যাত শিল্পীকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পেরে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। দেশের অন্যান্য শিল্পীর সঙ্গে দেখা করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দর্শকের সামনে সংগীত পরিবেশন করা পর্যন্ত কোহিনূরের প্রতিটি কার্যক্রমই আনন্দদায়ক হবে বলে আমরা আশা করছি।’
জানা গেছে, কোহিনূরের জন্ম হয় বাংলাদেশে এবং স্বাধীনতাযুদ্ধের পর নরওয়ের একটি পরিবার তাঁকে দত্তক নেয়।








