সংগ্রামী লতিফুর রহমান ও তার ব্যবসায় স্বীকৃতি

সেই ১৯৭২ সালে, সবকিছু নতুন করে শুরু করেছিলেন প্রায় শূন্য হাতে। এখন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক গ্রুপ ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান তিনি। ট্রান্সকম গ্রুপে কাজ করছেন ১০ হাজারের বেশি মানুষ। ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে নীতি-নৈতিকতা, সুনাম আর সততার স্বীকৃতি হিসেবে গত ৭ মে তিনি পেয়েছেন বিজনেস ফর পিস অ্যাওয়ার্ড। তিনি লতিফুর রহমান। পড়ুন তাঁর উঠে আসার গল্প।

লতিফুর রহমান ব্যবসায় স্বীকৃতি

শওকত হোসেন

১৯৭৪ সালের কথা। তখন আমার হাতে নগদ টাকা ছিল না। কিন্তু চা কিনতে হলে টাকা লাগবে। নেদারল্যান্ডসের রটারডাম-ভিত্তিক ভ্যান রিস তখন বিশ্বে চা সরবরাহকারীদের মধ্যে সেরা কোম্পানি। নানা দেশ থেকে চা কিনে তারা সরবরাহ করে। বাংলাদেশে তাদের হয়ে চা কেনার কাজটি পেলাম। আমাদের পাটকলের একটা হিসাব ছিল উত্তরা ব্যাংকের সঙ্গে। ব্যাংকের কাছে চাইলাম ৫০ লাখ টাকার ঋণ। মেজবাহ উদ্দীন সাহেব তখন উত্তরা ব্যাংকের মুখ্য ব্যবস্থাপক। তিনি ঋণের ব্যবস্থা করে দিলেন, কিন্তু ঋণের মার্জিন ২০ শতাংশ। এর অর্থ হলো আমার নিজের থাকতে হবে ১০ লাখ টাকা। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য ঋণের প্রস্তাবটি গেল ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) কাছে। উত্তরা ব্যাংকের এমডি তখন মুশফিকুর সালেহীন।

অনেক নামকরা মানুষ। তিনি আমার বাবাকে চিনতেন। বাবা কেমন আছেন জানতে চাইলেন। উঠল মার্জিনের প্রসঙ্গটি। সালেহীন সাহেব আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, ঠিক আছে, মার্জিন ১০ শতাংশ থাকুক।

আমার তো তখন চরম আর্থিক সংকট। তাই আমি বললাম, আমার কাছে টাকা নেই। আমি ১০ শতাংশ মার্জিন দিতে পারব নাতিনি এবার বললেন, ঠিক আছে, ৫ শতাংশ দিন। আমি এবার মরিয়া হয়েই বললাম, আমার কাছে কোনো টাকাই নেই। তিনি বললেন, আচ্ছা, কোনো মার্জিনই লাগবে না।

সেই ৫০ লাখ টাকা নিয়ে আমি চা কেনা শুরু করলাম। চট্টগ্রামে একটা অফিস নিলাম। শুরু হলো নতুন ব্যবসা। এর ঠিক ১৪ বছর পর মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) একটি বড় প্রতিনিধিদল গেল চীন, জাপান ও কোরিয়াসহ কয়েকটি দেশে। সেখানে সালেহীন সাহেবও ছিলেন। সিউল এয়ারপোর্টে আমি তাঁর কাছে গিয়ে বললাম, আজ আমার যা কিছু অর্জন, তা আপনার জন্যই। কিন্তু আমার খুব জানতে ইচ্ছা করে, সেদিন কেন আপনি আমাকে শূন্য মার্জিনে ঋণ দিয়েছিলেন। এভাবে তো ঋণ দেওয়া হয় না। তিনি জবাব দিয়েছিলেন, আমার বাবাকে তিনি চিনতেন। তাঁর সুনাম, ব্যাংক লেনদেনে স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার কথা জানতেন। সেই বাবার ছেলে বলেই বিশেষ সুযোগটি দিয়েছিলেন। তারপর সালেহীন সাহেব আরও একটি কথা বলেছিলেন। বলেছিলেন, ১৪ বছর হয়ে গেল। আপনার প্রতি যে আস্থা রেখেছিলাম, তার প্রতিদান দিয়েছেন। এখন যদি আপনার ছেলে আমার কাছে আসে, আমি তাকেও এভাবে ঋণ দেব।

এবার আমরা চলে যেতে পারি আরও বেশ কয়েক বছর সামনে। ২০১২ সালের ৭ মে। ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে নীতি-নৈতিকতা, সুনাম আর সততার স্বীকৃতি হিসেবে এই মানুষটির হাতেই তুলে দেওয়া হলো বিজনেস ফর পিস অ্যাওয়ার্ড। তিনি লতিফুর রহমান, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান।

অসলো বিজনেস ফর পিস অ্যাওয়ার্ড ব্যবসা-বাণিজ্যের নোবেল পুরস্কার হিসেবে খ্যাতযাঁরা ব্যবসায় নীতি-নৈতিকতা মানেন, সামাজিক দায়বদ্ধতার কথা ভাবেন, মনে রাখেন শ্রমিক ও কর্মচারীদের কল্যাণের কথা, আর যাঁদের রয়েছে পরিবেশ নিয়ে সচেতনতাতাঁদের জন্যই এই পুরস্কার। বলা যায়, পুরস্কারটি পেয়ে বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশকে আরেকবার উঁচুতে তুললেন লতিফুর রহমান।

জীবনের মোড় ঘুরে যাওয়ার গল্প

গুলশানে ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে বসে লতিফুর রহমান বলছিলেন ফেলে আসা জীবনের গল্প, উঠে আসার গল্প। এখনো তিনি মনে করেন, সেই যে মুশফিকুর সালেহীন বিনা শর্তে ৫০ লাখ টাকার ঋণের ব্যবস্থা করেছিলেন, সেটিই তাঁর জীবনের টার্নিং পয়েন্টজীবনের মোড় ঘুরে গিয়েছিল সেই এক ঘটনায়। অথচ এভাবে ঋণ নেওয়ার কথা ছিল না। বলতে গেলে, সোনার চামচ মুখে নিয়েই জন্ম নিয়েছিলেন। অর্থ কখনোই কোনো সমস্যা ছিল না। বললেন, ‘সেই ১৭ বছর বয়সে আমার একটা নিজস্ব গাড়ি ছিল। ছোট একটা ফিয়াট। আমাদের পাটের বড় ব্যবসা ছিল। বাঙালির তৈরি করা প্রথম পাটকলটি ছিল আমাদের। আর ছিল চা-বাগান। গুলশানে নিজের বাড়ি হয় সেই ১৯৭০ সালেই।

তার পরও স্বাধীনতার পর সবকিছু নতুন করে শুরু করতে হয়েছে। সেই গল্পও শোনালেন তিনি, ‘দাদা খান বাহাদুর ওয়ালিউর রহমানের জন্ম চাঁদপুরের চৌদ্দগ্রামের চিওড়া গ্রামে। খুব ছোটবেলায় চলে যান আসামের জলপাইগুড়িতে, মামার কাছে। শুনেছি, কোনো একটা অসুখের কারণে দাদাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল মামার কাছে। লেখাপড়া সেখানেই। আইন পাস করে জলপাইগুড়ি বারে আইনি পেশা শুরু করেছিলেন। ১৮৮৫ সালে সেখানে কিছু জমি কিনে চা-বাগান শুরু করেন। তখন চা-বাগানের মালিক ছিল মূলত ব্রিটিশরা। আমার দাদার চা-বাগানই ছিল স্থানীয় কারও মালিকানার প্রথম বাগান। আমার দাদা খান বাহাদুর উপাধি পেয়েছিলেন। বাবা মুজিবুর রহমানের জন্ম সেখানেই। কলকাতায় লেখাপড়া করে আসামের তেজপুরে ফিরে সেখানেই জমি কিনে চা-বাগান তৈরি করেন। বাবাও খান বাহাদুর উপাধি পান। দেশভাগের পর সবাই চলে আসেন ঢাকায়। ১৯৫১ বা ৫২ সালের দিকে সিলেটে নতুন করে চা-বাগান করেন। পাটের ব্যবসাও শুরু করেন। ভৈরব-আশুগঞ্জ এলাকাজুড়ে পাটের ব্যবসা ছিল।

লতিফুর রহমানের জন্ম জলপাইগুড়িতেই, ১৯৪৫ সালের ২৮ আগস্ট। দুই বোনের পর তাঁর জন্ম। পরে আরও এক বোন ও এক ভাই আছেন। ঢাকায় থাকতেন গেন্ডারিয়ায়। ছোটবেলায় পড়তেন সেন্ট ফ্রান্সিস স্কুলে। সেখান থেকে চলে যান হোলিক্রস স্কুলে। সে সময় হোলিক্রসে ছেলেরাও পড়ত। ১৯৫৬ সালে পাঠিয়ে দেওয়া হয় শিলংয়ে। সেন্ট এডমন্ডস স্কুলে ভর্তি হলেন ক্লাস থ্রিতে। সেখান থেকে কলকাতা সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে।

সময়টা তখন উত্তপ্ত। ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ, হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গাএসব কারণে ঢাকায় ফিরে এলেন লতিফুর রহমান। এসে ঢুকে গেলেন পাটের ব্যবসায়। বাবা তখন চাঁদপুরে গড়ে তুলেছেন ডব্লিউ রহমান জুট মিল। ১৯৬৩ সালে কাজ শুরু হলেও উৎপাদন শুরু হলো ১৯৬৬ সালে। সেখানে আমি ট্রেইনি হিসেবে কাজ শুরু করি ১৯৬৬ সালে। দেড় বছর কাজ শেখার পর একজন নির্বাহী হিসেবে যোগ দিলাম। আমি প্রশাসনটা দেখতাম। এভাবে কাজ করলাম ১৯৭১ সাল পর্যন্ত।বলছিলেন তিনি।

সে এক কঠিন সময়

মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সবকিছু জাতীয়করণ করা হয়। এর মধ্যে পাটকলও ছিল। কেবল চা-শিল্পে হাত দেওয়া হয়নি। তখন বেশির ভাগ চা-শিল্পের মালিকানা ছিল ব্রিটিশদের। এ কারণেই হয়তো জাতীয়করণের আওতায় এই শিল্প পড়েনি। সে সময় চা পুরোটাই যেত পশ্চিম পাকিস্তানে। বাইরের সঙ্গে ব্যবসা করার কোনো সুযোগ ছিল না, কীভাবে চা রপ্তানি করতে হয়, তাও জানা ছিল না।

লতিফুর রহমান বললেন, ‘রাতারাতি আমাদের অবস্থা পাল্টে গেল। এটা ঠিক, আমাদের বাড়ি ছিল, চা-বাগান ছিল। কিন্তু হাতে কোনো নগদ টাকা ছিল না। বিক্রি করতে পারছিলাম না বলে চায়ের স্তূপ জমছিল। তখন আমার একটা অফিস ছিল৫২ মতিঝিল। কিন্তু জাতীয়করণ করায় অফিসের ফার্নিচার পর্যন্ত সরকারি সম্পদ হয়ে গেল। এক হাজার স্কয়ার ফুটের সেই অফিসে ফার্নিচারও থাকল না। জজ কোর্টের পেছনে তখন ফার্নিচার ভাড়া দেওয়ার দোকান ছিল। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় কিছু ফার্নিচার ভাড়া করলাম। মনে আছে, ঘর থেকে পাখাও খুলে নিয়ে লাগিয়েছিলাম অফিসে। আমরা বেশ অবস্থাপন্ন ছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করে যে সবকিছু চলে যেতে পারে, তা তখনই প্রথম দেখলাম। এটা আমার জীবনের একটা বড় শিক্ষা।

এই জীবনেরও পরিবর্তন এনেছিলেন লতিফুর রহমান। তিনি বললেন, ‘১৯৭২ সালের শেষের দিকে রেনে বারনার নামের একজন সুইস ভদ্রলোকের সঙ্গে পরিচয় হয়। তাঁকে নিয়ে গেলাম আমাদের চা-বাগানে। বাগানের অবস্থা তখন করুণ। বিক্রি করতে না পারায় সব চা খোলা পড়ে আছে। সব দেখে তিনি দেশে ফিরে যোগাযোগ করলেন। তখন পণ্য আমদানি-রপ্তানি করতে হতো সরকারি সংস্থা টিসিবির মাধ্যমে। সুতরাং, নিজে থেকে কিছু করার উপায় ছিল না। পণ্যের বিনিময়ে পণ্য, অর্থাৎ বার্টার বা কাউন্টার ট্রেডের ব্যবস্থা ছিল। আমি তা-ও জানতাম না। রেনে বারনার আমাকে জানালেন, বাংলাদেশ বিদেশ থেকে কীটনাশক কিনতে চায়। চায়ের সঙ্গে কীটনাশকের বার্টার ট্রেড হতে পারে। অর্থাৎ, আমি চা দেব, আর ওরা এর বিনিময়ে কীটনাশক দেবে। জার্মানির বায়ার কোম্পানি কীটনাশক বিক্রি করবে। এর অনুমতি নিতে গেলাম তখনকার বাণিজ্যমন্ত্রী এম আর সিদ্দিকীর কাছে। তিনি বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখার জন্য লিখে দিলেন। মনে আছে, প্রতিদিন সকাল আটটার আগে সচিবালয়ের গেটে দাঁড়িয়ে থাকতাম। কর্মকর্তারা আসতেন, তাঁদের সঙ্গে দেখা করতাম। এভাবেই শুরু হলো চা রপ্তানির কাজ। আর এর জন্য গড়ে তোলা হলো নতুন এক কোম্পানিটি হোল্ডিংস লিমিটেড। বলা যায়, এর মাধ্যমেই আমি আবার নিজের পায়ে দাঁড়াতে শুরু করলাম। এর পরই আমরা নেদারল্যান্ডসের কোম্পানি ভ্যান রিস বিভির প্রতিনিধি হলাম।তারপর সেই ৫০ লাখ টাকা নেওয়ার গল্প।

কোনো স্থায়ী সম্পদ নয়

কঠিন একটা সময়ে নিজের অবস্থার পরিবর্তন ঘটলেও লতিফুর রহমানের মনোজগতে এর ছাপ রয়ে গেল। সে কথা অকপটে মেনেও নিলেন, ‘আমার মধ্যে প্রথম যে ভাবনাটা এল, তা হচ্ছে, অর্থই সবকিছু নয়। হঠাৎ করে সব চলে যেতে পারে। আরেকটা ভাবনা আমার মধ্যে গেঁথে গেল, কোনো স্থায়ী সম্পদে আর কখনো বড় বিনিয়োগ করা যাবে না। আমি ইচ্ছা করলেই একটা ভালো জায়গায় বিশাল ভবন বানাতে পারতাম। সেই ভবনের ভাড়া দিয়েই জীবন চালানো যেত। অনেকেই এভাবে জীবন কাটিয়ে দেয়। কিন্তু হঠাৎ করে জীবনে কিছু কঠিন সময় পার করার কারণে আমি আর এই পথে গেলাম না। কারণ এসব স্থায়ী না-ও হতে পারে। ফলে আমি আর জায়গাজমি বা ভবনে বিনিয়োগ করিনি। আমি কেবল বাণিজ্য করেই ভালো থাকতে পারতাম। এর বদলে শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়েছি। এসব প্রতিষ্ঠান সব সময় জীবন্ত। এগুলো চালু রাখতে হয়, সম্প্রসারণের দিকে যেতে হয়। বসে থাকার কোনো উপায় নেই।

১৯৭২ সালে লতিফুর রহমান যখন সবকিছু নতুন করে শুরু করেছিলেন, তখন তাঁর সঙ্গে কাজ করতেন মাত্র পাঁচজন। ট্রান্সকম গ্রুপে এখন কাজ করছেন ১০ হাজারের বেশি মানুষ। ৫০ লাখ টাকা ব্যাংকঋণ নিয়ে নতুন করে শুরু করেছিলেন তিনি। এখন এই গ্রুপের বার্ষিক লেনদেনের পরিমাণ সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি। গত বছর ট্রান্সকম গ্রুপ ৫৫১ কোটি টাকা কর (আয়কর, মূল্য সংযোজন কর ও আমদানি শুল্ক মিলিয়ে) দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি আমার প্রতিষ্ঠানকে এমনভাবে গড়ে তুলতে চাই, যাতে তা ১০০ বছর পরও টিকে থাকে। তাহলেই মনে করব কিছু একটা করলাম আমি।

১০০ বছর টিকে থাকার জন্য নিজস্ব কিছু ভাবনাও আছে লতিফুর রহমানের। আর সেটি হচ্ছে আধুনিক ব্যবস্থাপনা। প্রতিদিন শত শত কোটি টাকার লেনদেন হয়। কিন্তু একটি চেকেও তিনি নিজে সই করেন না। তিনি বললেন, ‘আমার নীতি হচ্ছে, সঠিক ব্যক্তিকে সঠিক জায়গায় নিয়ে এসে তাকেই পরিচালনার দায়িত্ব দিতে হবে। তাকে সম্মান দিতে হবে। আমার প্রতিষ্ঠান সেভাবেই চলে। এভাবে না চললে তো সব প্রতিষ্ঠান পারিবারিক প্রতিষ্ঠান হয়ে থাকবে। আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে, ব্যবস্থাপনার মানও হতে হবে বিশ্বমানের। আমি সেভাবেই চেষ্টা করছি।

জীবনের আরেক গল্প

লতিফুর রহমানের জীবনে ছোট্ট আরেকটি গল্পও আছে। পড়তেন শিলংয়ে। কাছাকাছিই থাকতেন শাহনাজ রহমান। তখনই পরিচয়, তারপর সম্পর্ক। তাঁরা বিয়ে করলেন ১৯৬৫ সালে। তারপর দুজনই চলে এলেন ঢাকায়। দীর্ঘ ৪৭ বছরের সংসারজীবন। এক মেয়েকে হারিয়েছেন। এখন এক ছেলে আর দুই মেয়ে নিয়ে পুরো পরিবার।

ভালো সিনেমা এলে দেখেন ডিভিডিতে। গান শুনতেও পছন্দ করেন লতিফুর রহমান। কিছুটা শাস্ত্রীয় ঘরানার গান বেশি পছন্দ। তবে অবসর সময়ের বড় সঙ্গী এখন চার নাতি। আর পুরো পরিবার চেষ্টা করে একসঙ্গে বাইরে থেকে কোথাও ঘুরে আসতে। সময় পেলেই সবাই এক হন, বাইরে কোথাও যান।

পারিবারিক মূল্যবোধকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন লতিফুর রহমান। আর আস্থা রাখেন দেশের ওপর। তিনি বলেন, ‘আমাদের পরিবারের সবার একটাই পাসপোর্টবাংলাদেশের। আমরা কখনো অন্য দেশের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করিনি। আমরা বাংলাদেশের মানুষ, এ দেশের প্রতি আমার আস্থা আছে। আমি মনে করি, অনেক সম্ভাবনা আছে এখানে। যদি রাজনৈতিক বিভেদ না থাকত, তাহলে আরও অনেক দূর এগোতে পারত বাংলাদেশ।

লতিফুর রহমান বিশ্বাস করেন, রাজনৈতিক এই সংঘাত সব সময় থাকবে না। সময়ের পরিক্রমায় এসব চলে যাবে। কেননা তরুণেরা এগিয়ে আসছে। তাঁর সবচেয়ে বেশি আস্থা এই তরুণ প্রজন্মের প্রতিই। গভীর প্রত্যয় নিয়ে তিনি বললেন, ‘তরুণ প্রজন্ম বাংলাদেশকে অনেক দূর নিয়ে যাবে, এটি আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

Share/Save/Bookmark

বিশ্বের প্রভাবশালী ৫০০ ব্যক্তির তালিকায় ব্র্যাকের মাহবুব বিশ্বের প্রভাবশালী ৫০০ ব্যক্তির তালিকায় ব্র্যাকের মাহবুব বিশ্বের প্রভাবশালী ৫০০ ব্যক্তির মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে স্থান পেয়েছেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক ড. মাহবুব হোসেন। রাজনীতি ও অর্থনীতি বিষয়ে পৃথিবীখ্যাত ম্যাগাজিন ফরেন পলিসির করা তালিকায় তাকে এ স্থান দেওয়া হয়। গ্রাম উন্নয়ন ও কৃষিনীতি বিষয়ে গবেষণায় দেশে বিদেশে সুপরিচিত ড. হোসেন ২০০৭ সাল ... বিস্তারিত...

ড. আশরাফের সাফল্য যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পেট্রোলিয়াম এ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং সাবেক চেয়ারম্যান ড. আশরাফ আলী সিদ্দিকী কক্সবাজারের ভূ-গর্ভস্থ পানিতে বিষাক্ত পদার্থ ইউরেনিয়াম এবং থোরিয়াম উপস্থিতির নতুন তথ্য উদ্ঘাটন করেছেন। তিনি দীর্ঘ তিন বছর (২০১০-২০১৩) কক... বিস্তারিত...

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মাননা কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল- পেলেন ড. ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মাননা কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল- পেলেন ড. ইউনূস শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস কাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মাননা কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল গ্রহণ করবেন। মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে এ সম্মাননা দেওয়া হবে। পদক গ্রহণের জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। সম্মাননা গ্রহণের পর ড. ইউনূস কংগ্রেসের যৌ... বিস্তারিত...

পোশাকশিল্পে অনুকরণীয় উদ্যোক্তা যিনি পোশাকশিল্পে অনুকরণীয় উদ্যোক্তা যিনি নিজের ইচ্ছে শক্তি এবং বাবার অনুপ্রেরণা নিয়ে নিজেকে যুক্ত করছিলেন গার্মেন্টস শিল্পে। পড়াশোনা করেছেন আইন বিষয়ে। কিন্তু বাবার রেখে যাওয়া কাজের ক্ষেত্র ও স্বপ্ন পূরণের জন্য নিজেকে উদ্যমী করেছেন ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে। বাবার স্মৃতি ধরে রাখতে ক্ষতিগ্রস্ত গার্মেন্টসকে পুনরুদ্ধারে নিজেই একদিন চট্টগ্রামে ... বিস্তারিত...

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননায় ড. ইউনূস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননায় ড. ইউনূস দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিশ্বব্যাপী অসামান্য অবদান রাখায় যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা 'কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল' পাচ্ছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ১৭ এপ্রিল বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তাকে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। ইউনূসকে এর আগে ২০০৯ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা 'প্রেসিডেনসিয়াল... বিস্তারিত...

বঙ্গ নারী ওয়াসফিয়ার জয়যাত্রা অ্যান্টার্কটিকার ভিনসন পর্বতে প্রথম বাংলাদেশি বঙ্গ নারী ওয়াসফিয়ার জয়যাত্রা অ্যান্টার্কটিকার ভিনসন পর্বতে প্রথম বাংলাদেশি বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ এভারেস্ট বিজয়ী পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন অ্যান্টার্কটিকার উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ ভিনসন ম্যাসিফ জয় করেছেন। তিনিই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্গম অঞ্চলের এ পর্বতে আরোহন করলেন। ‘বাংলাদেশ অন সেভেন সামিট’ ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে এটি তাঁর চতুর্থ পর্বতচূড়া জয়। ... বিস্তারিত...

স্বপ্নবাদী একজন নির্লোভ মানুষ স্বপ্নবাদী একজন নির্লোভ মানুষ জন্ম তাঁর ১৯৩৬ সালের ২৭ এপ্রিল। হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং গ্রামে। বাবা সিদ্দিক হাসান। মা সৈয়দা সুফিয়া খাতুন। জেলা সাবরেজিস্ট্রার বাবার চেয়ে মায়ের সঙ্গে অনেক বেশি অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিল তাঁর। মানুষের প্রতি গভীর মমতা, সব সময় দুস্থ মানুষের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকতেন... বিস্তারিত...

দারিদ্র্যমুক্তির প্রতীক এখন ফুলবাড়িয়ার সুরুজ মিয়া দারিদ্র্যমুক্তির প্রতীক এখন ফুলবাড়িয়ার সুরুজ মিয়া ছাগলকে খাওয়ানোর ঘরে সুরুজ মিয়া যদি থাকে সুষ্ঠু-সুন্দর পরিকল্পনা এবং কঠোর পরিশ্রম; সে ব্যক্তি যিনিই হোন, সফলতা তার অনিবার্য। আর এ কথাটি অক্ষরে অক্ষরে সত্যে পরিণত করেছেন ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার পাহাড়ি এলাকা কৃষ্ণপুর গ্রামের আবদুস সোবহানের ছেলে সফল পশুপালক সুরুজ মিয়া (৪৩)। ১৯৮৮ সালে অভা... বিস্তারিত...

সফলদের স্বপ্নগাথা-প্রতিযোগিতাটা নিজের সঙ্গে-এ পি জে আবদুল কালাম সফলদের স্বপ্নগাথা-প্রতিযোগিতাটা নিজের সঙ্গে-এ পি জে আবদুল কালাম এ পি জে আবদুল কালাম ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এ পি জে আবদুল কালাম ১৫ অক্টোবর ১৯৩১ সালে ভারতের তামিলনাড়ুতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একাধারে বিজ্ঞানী, অধ্যাপক ও লেখক। চলতি বছরের ১ মার্চ তিনি সোলাপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে এই বক্তব্য দেন। ‘সোলাপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদে... বিস্তারিত...

রত্নগর্ভা মা রত্নগর্ভা মা 'একজন মানুষ আর কত দুঃখ সইতে পারেন? এর পরও সহিষ্ণু, নিরলস ও সার্থকভাবে তিনি পালন করেছেন সব দায়দায়িত্ব। নিজের জন্য নয়, ঠিক ছোট সংসারের জন্যও নয়, প্রকাণ্ড বড় একটা বিমিশ্র সংসারের জন্য কঠিন ব্রত পালন করেছেন। সংসারের হাল ধরতে গিয়ে সাধারণ জননী থেকে অসাধারণ এক জননীতে পরিণত হয়েছেন আয়েশা ফয়েজ।' লি... বিস্তারিত...

অন্য উচ্চতায় ড. ইউনূস অন্য উচ্চতায় ড. ইউনূস সামাজিক ব্যবসার ধারণা প্রবর্তন করে বিশ্বব্যাপী অন্য রকম এক উচ্চতায় পেঁৗছে গিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বিভিন্ন দেশ এই সামাজিক ব্যবসার ধারণা গ্রহণ করছে অসামান্য আগ্রহে। ইতোমধ্যে জাপান ও ইতালির দুই শহরকে সামাজিক ব্যবসার নগরী ঘোষণা করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বাণিজ্যের একেকটি ... বিস্তারিত...

ম্যাগসেসে পুরস্কারের পেলেন রিজওয়ানা হাসান   ম্যাগসেসে পুরস্কারের পেলেন রিজওয়ানা হাসান এশিয়ার নোবেল হিসাবে পরিচিত ম্যাগসেসে পুরস্কারের পেলেন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। আজ বুুধবার র্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব ট্রাস্টি ২০১২ সালে পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করেন। ম্যাগসোসে ওয়েবসাইট জনায়, এ বছর বাংলাদেশ... বিস্তারিত...

জনপ্রিয়তায় শরৎচন্দ্রকেও ছাড়িয়ে গিয়েছেন হুমায়ূন: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় জনপ্রিয়তায় শরৎচন্দ্রকেও ছাড়িয়ে গিয়েছেন হুমায়ূন: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বাংলাদেশের জনপ্রিয়তম লেখক হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর খবরে বেদনাহত পশ্চিমবঙ্গের নন্দিত সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, "সত্যি কথা বলতে কি আমি শকট হয়েছি। হুমায়ূনকে আমি খুব ভালোবাসতাম। বড্ড কষ্ট হচ্ছে যে হুমায়ূন আর নেই।" তাঁর মতে, বাংলাদেশে জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কেও ছা... বিস্তারিত...

বিশ্বে বাংলার মুখ শিল্পী মনিরুল বিশ্বে বাংলার মুখ শিল্পী মনিরুল বিশ্বে বাংলার মুখ তিনি। শিল্পকে মাধ্যম হিসাবে নিয়ে সারা বিশ্বে বাংলাদেশকে পরিচিত করে চলেছেন। কিন্তু সর্বজনস্বীকৃত এই সত্যটিকে আমলেই নিলেন না শিল্পী মনিরুল ইসলাম। বললেন, এসব বাড়াবাড়ি, ভালোবাসে বলে। এরপর অনেকটা স্বগতোক্তির মত উচ্চারণ করলেন, মানুষের জীবন খুব ছোট। পৃথিবীতে মানুষের জন্মের ইতিহাসে কত... বিস্তারিত...

বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির একজন আমাদের সালমান বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির একজন আমাদের সালমান   বরাবরের মতোই টাইমস ম্যাগাজিন একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। টাইমস ম্যাগাজিনের জরিপে বিশ্বের প্রভাবশালীদের মধ্যে বরাবরই তার অবস্থান ছিল শীর্ষে। একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হিসেবে সালমান খানের নামটাই চমকে দিয়েছে বিশ্বকে, সেই সাথে বিশ্বকে আরেকবার জানান দেওয়া হলো, আমরাও পারি। আমাদের গৌরব এই সালমান খানকে... বিস্তারিত...

বিশ্ব আঙিনায় বাংলাদেশি যুবক-গ্রামীণ-ইন্টেলের সিইও কাজী হক (সৌজন্যে সকালের খবর) বিশ্ব আঙিনায় বাংলাদেশি যুবক-গ্রামীণ-ইন্টেলের সিইও কাজী হক (সৌজন্যে সকালের খবর) কাজী ইমদাদুল হকের জন্ম ঢাকার ধানমণ্ডিতে। ১৯৮৪ সালে গ্রিন হেরাল্ড স্কুল থেকে ‘ও’ লেভেল শেষ করে উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানেই কেটেছে তার জীবনের দীর্ঘ সময়। ইউনিভার্সিটি অব রচেস্টার থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং অ্যাপ্লাইড ফিজিক্স বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন শেষে করেছেন এমবিএও। সফটওয়ার ইঞ্জিন... বিস্তারিত...

সংগ্রামী  লতিফুর রহমান ও তার  ব্যবসায়   স্বীকৃতি সংগ্রামী লতিফুর রহমান ও তার ব্যবসায় স্বীকৃতি সেই ১৯৭২ সালে, সবকিছু নতুন করে শুরু করেছিলেন প্রায় শূন্য হাতে। এখন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক গ্রুপ ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান তিনি। ট্রান্সকম গ্রুপে কাজ করছেন ১০ হাজারের বেশি মানুষ। ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে নীতি-নৈতিকতা, সুনাম আর সততার স্বীকৃতি হিসেবে গত ৭ মে তিনি পেয়েছেন বিজনেস ফ... বিস্তারিত...

বাঙালির চুরি হয়ে যাওয়া কৃতিত্ব বাঙালির চুরি হয়ে যাওয়া কৃতিত্ব আখতার হুসেন | প্রতিকৃতি: মাসুক হেলাল অপরাধী শনাক্তকরণে ফিঙ্গারপ্রিন্ট তথা আঙুলের ছাপের আবিষ্কারক একজন বাঙালি, কিন্তু সেই আবিষ্কার চুরি করে নেয় তাঁরই ইংরেজ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। কিন্তু সেই চুরির ঘটনা গোপন থাকেনি। ১০০ বছর পর মুখ খুলেছে ইতিহাস: আঙুলের ছাপের আবিষ্কারক আসলে খুলনার একজন বাঙালি, নাম কা... বিস্তারিত...

আমাদের অভিনন্দন-নতুন উচ্চতায় মুহাম্মদ ইউনূস আমাদের অভিনন্দন-নতুন উচ্চতায় মুহাম্মদ ইউনূস মুহাম্মদ ইউনূসের প্রধান অবদান গ্রামীণ ব্যাংক। তাঁর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণফোনও আজ ঘরে ঘরে। সংগঠন বা সফল ও টেকসই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সাফল্য অনেকেরই আছে। কিন্তু মুহাম্মদ ইউনূসের প্রধান অবদান হলো, তিনি শুধু সংগঠনই গড়েননি, গ্রামীণ নারীর ক্ষমতায়নের সূচনা করেছেন। গ্রামীণ ব্যাংকের সহায়তায়... বিস্তারিত...

আবুল খায়ের দুর্যোগে দুঃসাহসী আবুল খায়ের দুর্যোগে দুঃসাহসী ছবি: হাসান রাজা প্রায় ২২ বছর ধরে বাংলাদেশের অসংখ্য উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন তিনি; কী জলে কী স্থলে। জীবনের মায়া তুচ্ছ করে গভীর জল থেকে তুলে এনেছেন অগুনতি লাশ, উদ্ধার করেছেন আগুনে বন্দী মানুষদের। এসব কাজের মধ্য দিয়েই পেয়েছেন দেশে-বিদেশে পরিচিতি। পেয়েছেন প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড ও জাতিসংঘের সম্মা... বিস্তারিত...

ফুল চাষ করে স্কুল শিক্ষকের সাফল্য ফুল চাষ করে স্কুল শিক্ষকের সাফল্য লেখক: মহাদেবপুর(নওগাঁ)সংবাদদাতা বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষ করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার দোহালী গ্রামের বাসিন্দা ভালাইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রবীর অধিকারী। ২০০৮ সালে তিনি বাণিজ্যিকভাবে শুরু করেন নানা প্রজাতির ফুল চাষ। তার চাষ করা বাগানে রয়েছে রজনী গন... বিস্তারিত...

সেরা চিকিৎসকদের তালিকায় বাংলাদেশী-আমেরিকান জাবের খান সেরা চিকিৎসকদের তালিকায় বাংলাদেশী-আমেরিকান জাবের খান চিকিৎসা ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য আমেরিকার সেরা চিকিৎসকদের তালিকায় স্থান করে নিলেন বাংলাদেশী-আমেরিকান ডাক্তার জাবের আহমদ খান. এমডি। ডাউন স্টেট ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক বাংলাদেশী ডাক্তার জাবের আহমদ খান. এমডিকে যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসা ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ প্... বিস্তারিত...

মনের গবেষক মাহী কাজীর কথা মনের গবেষক মাহী কাজীর কথা আরিফ সাহেবের দুই মেয়ে, এক ছেলে। ছেলে পড়ে ক্লাস নাইনে। মেয়েরা থ্রি ও ফোরে। থাকেন মোহাম্মদপুরের ভাড়া বাড়িতে। সরকারি চাকরি করেন। তাই আয়ও একেবারে সীমিত। তা দিয়ে বাড়ী ভাড়া আর ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার খরচ চালানো কষ্টকর। প্রতিমাসেই ধার করে চলতে হয়। সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে হরহামেশাই ফে... বিস্তারিত...

ড. ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট দিয়েছে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস ড. ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট দিয়েছে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস   লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসের (এলএসই) ওল্ড থিয়েটারে আয়োজিত ডিগ্রি প্রদান অনুষ্ঠানে ৫০০ জনের বেশি শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। এলএসইর উপপরিচালক স্টুয়ার্ট কোরব্রিজের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের পর পরিচালক জুডিথ রিজ অধ্যাপক ইউনূসকে সম্মানসূচক ডিগ্রিতে ভূষিত করেন। স্টুয়ার্ট কোরব্রিজ বলেন, অধ্যাপক ইউনূস... বিস্তারিত...

স্যার ফজলে হাসান আবেদ ওয়াইজ পুরস্কার পেলেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ ওয়াইজ পুরস্কার পেলেন   শিক্ষার মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণে অবদান রাখার জন্য ‘ওয়াইজ’ পুরস্কার পেয়েছেন বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ। গতকাল মঙ্গলবার কাতারের দোহায় অনুষ্ঠিত তৃতীয় ‘ওয়ার্ল্ড ইনোভেশন সামিট ফর এডুকেশন’ (ওয়াইজ) সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে ফজলে হাসান আবেদের হা... বিস্তারিত...

এভারেস্ট, চো ইয়োর পর মুহিতের মানাসলু জয় এভারেস্ট, চো ইয়োর পর মুহিতের মানাসলু জয়   মানাসলু পর্বতের শিখরে আরোহণ করার মতো সামর্থ্য বাংলাদেশের প্রথম নারী পর্বতারোহী নিশাত মজুমদারেরও ছিল। কারণ ততক্ষণে তিনি মানাসলুর ২৩ হাজার ফুট ওপরে তিন নম্বর ক্যাম্পে পৌঁছে গেছেন। কিন্তু বাদ সাধে ঝড়। সংকট দেখা দেয় অক্সিজেনের। শেষ পর্যন্ত নিশাত নিজের বোতলজাত অক্সিজেন দিয়ে দেন সতীর্থ এম এ মুহিতকে।... বিস্তারিত...

অর্জন- জীবন জয়ী হলো অর্জন- জীবন জয়ী হলো   কর্মজীবন শুরু করেছিলেন মোটর গ্যারেজের মেকানিক হিসেবে। বাবা ছিলেন দর্জিবাড়ির মাস্টার। বাবার সঙ্গে পড়াশোনা করতে গিয়েছিলেন ঢাকায়। কিন্তু সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ার পর আর্থিক অনটন আষ্টেপৃষ্ঠে চেপে ধরে। সংসার চালানোর তাগিদ ভর করে কাঁধে। অষ্টম শ্রেণীতে যখন উঠলেন, তখন নিজ গরজেই কাজ নিলেন ঢাকার এক মো... বিস্তারিত...

বাধা পেরোনো প্রান্তিক মানুষেরা ঘুরে দাঁড়ানো একজন বাধা পেরোনো প্রান্তিক মানুষেরা ঘুরে দাঁড়ানো একজন   চারদিকে নানা প্রতিবন্ধকতার বেড়াজাল। তবুও থেমে নেই জীবনের এগিয়ে চলা। মুঠো মুঠো জীবনের গল্প সঙ্গে নিয়ে প্রিয় মাতৃভূমি ছুটে চলেছে উন্নয়নের সড়কে। উন্নতির এই খেরোখাতায় নিঃশব্দে যারা অবদান রাখছেন, সেইসব বাধা পেরোনো প্রান্তিক মানুষের জীবনযুদ্ধ জয়ের গল্প নতুন বাংলাদেশের অংশ। মীর গোলাম মোস্তফা... বিস্তারিত...

জাপানিদের রাধা বিনোদ পাল জাপানিদের রাধা বিনোদ পাল   তৌহিদী হাসান রাধা বিনোদ পাল ইটের গায়ে আজও লেখা রয়েছে আর বি ডি (রাধা বিনোদ পাল)। শান বাঁধানো ঘাটটি কালের আবর্তে ভেঙে পড়েছে। বিভিন্ন প্রজাতির ফলের বাগানটিও নেই। দেশ স্বাধীনের পর একতলা বাড়িটি ক্ষয়ে ক্ষয়ে হারিয়ে গেছে। কিন্তু আজও তাঁর নাম সবাই জানে। চাকরিজীবনের সুনাম, খ্যাতি তাঁকে দিয়েছে বিশ... বিস্তারিত...

সফল  ক্যামেরাযোদ্ধা রশিদ তালুকদার সফল ক্যামেরাযোদ্ধা রশিদ তালুকদার ঢাকা: দেশের প্রথিতযশা আলোকচিত্র শিল্পী রশিদ তালুকদার। কর্মেই যার পরিচয়। তার জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এদেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ। ১৯৭১ সালে যারা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছিলেন তারা সবাই ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। কিন্ত ক্যামেরা হাতে বেরিয়ে পড়েছিলেন কিছু মানুষ। জীবন বাজি রেখে তোলা তাদের সেইসব ছবি দিয়ে আজ ... বিস্তারিত...

প্রথম বাঙালি মিলিয়নেয়ার  প্রথম বাঙালি মিলিয়নেয়ার · রামদুলাল দে ইংরেজদের টেক্কা দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন মার্কিনদের সঙ্গে। রামদুলালের জাহাজ ভারত মহাসাগর পাড়ি দিয়ে ভেড়ে আটলান্টিকের মার্কিন বন্দরে, সেটাই প্রথম কোনো বাঙালির জাহাজ... ইতিহাস বলছে, আঠারো শতকের সমগ্র বাংলার তো বটেই, সমগ্র ভারতবর্ষেরও অন্যতম বাঙালি ধ... বিস্তারিত...

abohoman

solid

আর্কাইভ

যোগাযোগ

পাঠক সংখ্যা

163630
TodayToday380
This weekThis week4750
This monthThis month14364
Guests 7